আগামী বছরই সর্বোচ্চ গতির ইন্টারনেটে সংযুক্ত হবে প্রতিটি জনপদ
২০২৩ সালের মধ্যে দেশের দুর্গম, পার্বত্য অঞ্চল, দ্বীপ, চর, বিল ও হাওরসহ দেশের প্রতিটি জনপদে সর্বোচ্চ গতির ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বলেছেন, এভাবেই ডিজিটাল বাংলাদেশ কেবল আগামী দিনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাই করবে না, বাংলাদেশ চতুর্থ-পঞ্চম শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবে।
বৃহস্পতিবার ( ১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সাভারে সিটি ইউনিভার্সিটির সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির নবীন বরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে এমন দৃঢ়তার কথাই ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
এসময় দেশে স্থাপিত শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত ডিজিটাল অবকাঠামোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বিশেষ ভূমিকা গ্রহণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিন প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. হুমায়ুন কবির-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিটি ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ এবং সিটি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহ-ই- আলম বক্তৃতা করেন। এছাড়াও দুজন নবীন শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন ,আমরা ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি করে দিয়েছি । এই অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আমাদের জীবন যাপন ও শিক্ষাব্যবস্থা বদলে যাবে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটি পুণর্গঠনের পাশাপাশি কুদরত-ই খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন, কারিগরি শিক্ষা প্রসার, ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, বিণামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন, আইটিইউ ও ইউপিইউ‘র সদস্য পদ অর্জন এবং বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ বপন করে গেছেন।
বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বাংলাদেশের যে বীজটি বপন করে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে তা চারা গাছে রূপান্তর করেন । গত ১৩ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়নে বিশ্বের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। নতুন প্রজন্মকে অত্যন্ত মেধাবি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুনদেরকে সঠিকভাবে তৈরি করতে পারলে তারা বিস্ময়করভাবে সফল হবে।
সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু বাংলাদেশ ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে নতুন প্রজন্মের মেধাকে কাজে লাগাতে শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। ২০৪১ সালের সমৃদধ বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার উপযুক্ত করে শিক্ষার্থীদের তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।